Pages

Saturday, 16 April 2016

গরমে হয়ে যাক এক চুমুক ঠাণ্ডা স্মুদি

গরমে হয়ে যাক এক চুমুক ঠাণ্ডা স্মুদি



বৈশাখের গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত। রোদে বেরোলেই নাভিঃশ্বাস।সূয্যিমামার তেজ কমানো আমাদের হাতে নেই। কিন্তু শরীরের জ্বালা জুড়ানোর উপায় আছে। কী ভাবে সেটাই জানুন…


ম্যাঙ্গো স্মুদি

লাগবে- পাকা আম কুঁচি, আনারসের রস,মধু, টক দই, আদা ও বরফ
আম ছোট ছোট করে কেটে এক ঘণ্টা ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। এবার মিক্সিতে আনারসের ঠাণ্ডা জুস, টক দই, আমের টুকরো, মধু ও সামান্য আদা কুঁচি ও বরফ দিয়ে একসঙ্গে ব্লেন্ড করে বা ফেটিয়ে নিন। তৈরি আপনার ম্যাঙ্গো স্মুদি।


কলা-আনারসের স্মুদি
লাগবে-কলা, আনারস, মধু, বরফ


কলা, আনারস টুকরো করে কেটে ডিপ ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে নিন। ব্লেন্ডারে কলা, আনারস টুকরোর সঙ্গে আনারসের জুস, বরফ কুঁচি ও মধু দিয়ে ব্লেণ্ড করে নিন।

কলা-চকোলেটের স্মুদি


লাগবে-কলা,  চকোলেট সিরাপ, ঘন ঠাণ্ডা দুধ, বরফ কুঁচি, মধু


ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে রাখা কলার টুকরোর সঙ্গে, চকোলেট সিরাপ, ফুটিয়ে ঘন করা ঠাণ্ডা দুধ,মধু ও বরফ মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। রেডি চকোলেট স্মুদি। পুষ্টিতে ভরপুর আর, ইয়াম্মি।

রঙের মাধুর্যে অনুপম জব্বলপুরের মার্বেল রক




কোথাও দুধ সাদা, কোথাও আবার মাখনের মতো হাল্কা হলদেটে, কোথাও আবার সোনালী। মাঝেমাঝে আবার গোলাপি। শান্ত নর্মদার দুই ধারে মার্বেল পাহাড়ের রঙিন রূপ যেন অবর্ননীয়।
মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের মার্বেল রক লা-জবাব। জব্বলপুর শহর ঠেকে ২০ কিলোমিটার দূরে ভেড়াঘাট রয়েছে মার্বেল রক। গিরিখাত দিয়ে বয়ে গিয়েছে নর্মদা। নভেম্বরের শুরু। রোদের তাপ প্রচণ্ড। চড়ে বসেছিলাম নৌকায়। গাইড বলেছিল ভালো না লাগলে টাকা দিতে হবে না। প্রথম দিকে নদীর ওপর পাহাড়ের খানিক অংশ দেখা যাচ্ছিল।  তারপর নদী একটা বাঁক ঘুরতেই বদলে গেল ছবি।  নানা রঙের
মার্বেলের সমন্বয়ে মার্বেল রকের অপরূপ রূপ দেখলাম দুই চোখ ভরে।এরসঙ্গে গাইডের মজাদার গল্প। পাহাড়ের বিভিন্ন আকারকে পৌরাণিক দেবদেবতার সঙ্গে কল্পনা করে নানারকম কাহিনি নৌবিহার জম্পেশ করে তুলেছিল।অফুরন্ত তথ্য ভাণ্ডার তাদের ।গাইড একে একে বলতে শুরু করল কোন কোন ছবির শুটিং হয়েছে এখানে। জানাল, আমরা যাওযার দুদিন আগেই সেখানে হৃত্বিক রোশন শুটিং করে গিয়েছেন। শাহরুখ খান ও করিনা কাপুরের ‘অশোক’ সিনেমার শুটিং ও হয়েছিল এখানেই।
পড়ন্ত বিকেলে মার্বেল রকের সেই রূপ দেখে কল্পনা করতে পারছিলাম জ্যোৎস্না রাতে তা কতটা মায়াবী হয়ে ওঠে। কিন্তু যাত্রায় সে  রূপ দেখার সুযোগ ছিল না। তাই খানিক আফশোস নিয়েই ফিরতে হয়েছীল।সেই সঙ্গে আশাও অবশ্য একটা ছিল, যে কোনও এক জোছনা রাতে হয়তো আমারও কপালে জুটে যাবে পার্থিব জগতের অপার্থিব সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ।

কী ভাবে যাবেন
সড়ক, রেল ও আকাশপথে জব্বলপুর যাওয়া যায়। জব্বলপুরে বিমানবন্দর রয়েছে। রেল স্টেশন আছে।হাওড়া থেকে  শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস জব্বলপুর জায়।সড়ক যোগাযোগও ভালো।

থাকা
এখানে বিভিন্ন মানের হোটেল আছে.
ডবল বেডরুম নন এসি ভাড়া ১০০০-১২০০ থেকে শুরু
এসি রুম ১৬০০-১৮০০ থেকে শুরু
মরশুম অনুযায়ী ভাড়া কম-বেশি হয়

খাবার
এখানে সমস্ত রকমের সবজি ও ফল পাওয়া যায়। মাছ-মাংস সবেরই জোগান আছে। মধ্যপ্রদেশে এলে এখানকার মিষ্টি সীতাফল চাখতে ভুলবেন না।

Sunday, 10 April 2016

হেলদি ওটসকে করে নিন মুখ রোচক

সকালে উঠেই বাচ্চাকে স্কুলের জন্য তৈরি করা, ওদিকে আবার কর্তার অফিসের তাড়া।তারওপর খাবার টেবিলে দুধের গ্লাস দেখেলই আপনার বাড়ির খুদে সদস্যটি দেয় ছুট।
কী করে সবটা ম্যানেজ করবেন বুঝতে পারেন না? নো চিন্তা। আপনাদের জন্য
রইল ওটসের সুস্বাদু রেসিপি। এটা স্বাস্থ্যাকর আবার খেতেও ভালো।  আপনার সন্তান চেটেপুটে খাবে। কর্তাও খেয়ে প্রশংসা করতে বাধ্য হবেন।রান্নারও কোনও ঝামেলা নেই।
ওটস অমলেট
লাগবে- ওটস, দুধ, নুন, ডিম, সাদা তেল, পেঁযাজ, ধনেপাতা, লঙ্কা

কী ভাবে করবেন-ওটস দুধে ভিজিয়ে রাখনু মিনিট পাঁচেক। ডিম ফেটিয়ে তাতে  স্বাদ মতো নুন, পেঁয়াজ, লঙ্কা, ধনে পাতা কুঁচি মিশিয়ে হাল্কা আঁচে অমলেট বানিয়ে নিন। কোলেস্টেরল উচ্চ রক্তচাপ জনিত কারণে ডিম খাওয়া বারণ হলে কর্তাকে ডিমের সাদা অংশ দিয়ে অমলেট বানিয়ে দিন।